বিশকেক’এ SCO শিখর সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এন ডি এ সরকার বিপুল সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসবার পর সরকারের বলিষ্ঠ পররাষ্ট্রনীতির অঙ্গ হিসেবে শ্রী মোদি কিরগিস্তানের রাজধানী শহর বিশকেক’এ সাংহাই সহযোগিতা সংগঠন- SCO’র বার্ষিক শিখর সম্মেলনে অংশ নিলেন। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে সন্ত্রাসবাদে প্রশ্রয়দানকারী রাষ্ট্রসমূহকে চিহ্নিত করে তাদের আন্তর্জাতিক স্তরে একঘরে করার আহ্বান জানালেন। শ্রী মোদি যে কোনও রাষ্ট্রের অপর দেশের ওপর প্রভূত্ব বিস্তারের মানসিকতা ও বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদের বিরুদ্ধেও সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেন। তিনি বলেন আজকের এই পরিবর্তিত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে এই ধরণের নীতি কোনও পক্ষের জন্যেই লাভজনক হবে না। শ্রী মোদি SCO’র মুল উদ্দেশ্যকে HEALTH-এই ছটি অক্ষরগুচ্ছের মাধ্যমে বয়ান করলেন। যে গুলির মধ্যে আছে স্বাস্থ্য, তেজঃশক্তি ও বিকল্প তেজঃশক্তি বিষয়ক সহযোগিতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি,সন্ত্রাসবাদ মুক্ত সমাজ ও মানবিক সহযোগিতা। প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব ও এ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্যোগের কথা তুলে ধরলেন। তিনি আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে ওই দেশেরই নেতৃত্বে ও নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্ঠা গ্রহণ ও তাকে সব দেশের পক্ষ থেকে সহায়তার প্রয়োজনের কথা বললেন।
বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রে SCO শিখর সম্মেলনের বিশেষ গুরুত্ব সত্বেও এই সম্মেলনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ স্থান পেয়েছে। বিশ্লেষকগণের মতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপ্রধান শি চিন ফিং ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কৌশলগত তাৎপর্য অপরিসীম। বিগত বছরগুলিতে এই দুই নেতার সঙ্গে শ্রী মোদির একটি ব্যক্তিগত বন্ধন গড়ে উঠেছে। শ্রী মোদি প্রথমবার ক্ষমতায় আসবার পর থেকে চীনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁর ১২ বার সাক্ষাৎ হয়েছে। এবারের বৈঠকে শ্রী মোদি পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনে নতুন দিল্লির একাধিকবার উদ্যোগী হবার কথা জানান এবং বলেন সেই প্রচেষ্টায় ইসলামাবাদই বার বার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
SCO শিখর সম্মেলনে ভারত অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এরই অঙ্গ হিসেবে সদস্য দেশগুলিতে নিয়মিত ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে, মাদক পাচার প্রতিরোধ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ক্রীড়া সহযোগিতা বিষয়ক চারটি নথি স্বাক্ষর করা হয়েছে, যেগুলি সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান যোগাবে। এ ছাড়াও ১৪ টি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি ভারত SCO ও রাষ্ট্রসংঘের কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করা হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রে সব ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেই একযোগে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করা হয়েছে।
পরবর্তী SCO শিখর সম্মেলনেরও রূপরেখা এই সম্মেলনে রচনা করা হয়েছে। পরবর্তী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে রাশিয়া। মস্কো ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে তার অনুষ্ঠান সূচি। রাষ্ট্রপতি পুতিন বিশকেক সম্মেলনে তাঁর ভাষণে বলেছেন, মস্কো সাইবার সন্ত্রাসবাদ দমন সহ তথ্য প্রযুক্তি ও ডিজিটালকরণ বিষয়ক সহযোগিতার ওপর অগ্রাধিকার দেবে। ২০২০ বছরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসানের ৭৫ তম বার্ষিকী। কাজেই পরবর্তী SCO শিখর সম্মেলনে বিষয়টি উপযুক্ত গুরুত্ব পাবে বলে রুশ রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধিশালী সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্ব গঠনে ভারতের প্রচেষ্টায় সাংহাই সহযোগিতা সংগঠন-SCO অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। ( মূল রচনাঃ- ডঃ রূপ নারায়ণ দাস)
বিশ্ব রাজনীতির ক্ষেত্রে SCO শিখর সম্মেলনের বিশেষ গুরুত্ব সত্বেও এই সম্মেলনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ স্থান পেয়েছে। বিশ্লেষকগণের মতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপ্রধান শি চিন ফিং ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কৌশলগত তাৎপর্য অপরিসীম। বিগত বছরগুলিতে এই দুই নেতার সঙ্গে শ্রী মোদির একটি ব্যক্তিগত বন্ধন গড়ে উঠেছে। শ্রী মোদি প্রথমবার ক্ষমতায় আসবার পর থেকে চীনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁর ১২ বার সাক্ষাৎ হয়েছে। এবারের বৈঠকে শ্রী মোদি পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি স্থাপনে নতুন দিল্লির একাধিকবার উদ্যোগী হবার কথা জানান এবং বলেন সেই প্রচেষ্টায় ইসলামাবাদই বার বার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
SCO শিখর সম্মেলনে ভারত অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এরই অঙ্গ হিসেবে সদস্য দেশগুলিতে নিয়মিত ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনে, মাদক পাচার প্রতিরোধ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ক্রীড়া সহযোগিতা বিষয়ক চারটি নথি স্বাক্ষর করা হয়েছে, যেগুলি সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান যোগাবে। এ ছাড়াও ১৪ টি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি ভারত SCO ও রাষ্ট্রসংঘের কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করা হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রে সব ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধেই একযোগে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করা হয়েছে।
পরবর্তী SCO শিখর সম্মেলনেরও রূপরেখা এই সম্মেলনে রচনা করা হয়েছে। পরবর্তী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে রাশিয়া। মস্কো ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে তার অনুষ্ঠান সূচি। রাষ্ট্রপতি পুতিন বিশকেক সম্মেলনে তাঁর ভাষণে বলেছেন, মস্কো সাইবার সন্ত্রাসবাদ দমন সহ তথ্য প্রযুক্তি ও ডিজিটালকরণ বিষয়ক সহযোগিতার ওপর অগ্রাধিকার দেবে। ২০২০ বছরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসানের ৭৫ তম বার্ষিকী। কাজেই পরবর্তী SCO শিখর সম্মেলনে বিষয়টি উপযুক্ত গুরুত্ব পাবে বলে রুশ রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধিশালী সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্ব গঠনে ভারতের প্রচেষ্টায় সাংহাই সহযোগিতা সংগঠন-SCO অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। ( মূল রচনাঃ- ডঃ রূপ নারায়ণ দাস)
Comments
Post a Comment