রাষ্ট্রপতির নতুন ভারত গঠনের উদাত্ত আহ্বান
রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ ভারতের ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশ বাসীর উদ্দেশে তাঁর ভাষণে বলেন, ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে ভারত এক স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে তার ৭২ বছর সম্পূর্ণ করল। তিনি বলেন, আর মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশবাসী জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধীর সার্ধ শত জন্ম বার্ষিকী উদযাপনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, যাঁর জীবন ও আদর্শ দেশকে পরাধীনতার শৃংখল মুক্ত করতে ও যাবতীয় শোষণ ও বৈষম্য মুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের সকলের কাছে স্থায়ী প্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীর জনক যে ভারতে জন্মেছিলেন ও যে ভারত তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল, আজকের ভারতের তা থেকে অনেক পার্থক্য রয়েছে; তা সত্বেও গান্ধীজী আগের তুলনায় কেবল ভারতেই নয়, সমগ্র বিশ্বে অধিক প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেন, দেশের সরকার যখন সমাজের বঞ্চিত অবহেলিত শ্রেণির জন্য কল্যাণমূলক যোজনা রচনা করে; যখন অচিরাচরিত তেজঃশক্তি উৎপাদনে সৌর শক্তিকে কাজে লাগানোর যোজনা রচনা করা হয়, তখন জাতীর জনকের প্রদর্শিত পথই সরকারকে প্রেরণা যোগায়।
রাম নাথ কোবন্দ বলেন, এ বছরেই দেশবাসী শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক দেবজির ৫৫০ তম আবির্ভাব বার্ষিকী উদযাপন করছে। তিনি বলেন, ভারতের সর্বকালীন মহাপুরুষদের মধ্যে অন্যতম গুরু নানক দেব কেবলমাত্র শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদেরই নয়, ভারত ও সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে বিরাজ করছেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে দেশে কিছুদিন আগে সম্পন্ন সপ্তদশতম সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ৯০ কোটির মত ভোট দাতা বিশ্বের এই বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন, তার জন্য তাঁরা প্রত্যেকেই অশেষ ধন্যবাদের পাত্র।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যে কোনো দেশের সরকারেরই দায়িত্ব হল, জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যে সকল নীতি প্রণেতা ও প্রতিষ্ঠানকেই জনগণের এই আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে সেবার আদর্শ নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সফরের, সমাজের সর্ব স্তরের মানুষের সঙ্গে তাঁর কথা বলার সুযোগ হয়েছে, তাদের সকলেরই একটাই স্বপ্ন, আর তা হল- দেশের সার্বিক উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত, দায়বদ্ধ ও স্বচ্ছ প্রশাসন,যার সুফল উপলব্ধি করা যাবে প্রতিটি মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে।
১৩০ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে দক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বপ্রদানের যে ক্ষমতা সুপ্ত রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে দেশ গঠনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির ওপর রাষ্ট্রপতি জোর দেন। তিনি বলেন, ইতিহাসের দীর্ঘ যাত্রাপথে মাঝে মাঝেই ভারতবাসী চরম বিপদ ও নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, তবে প্রতি ক্ষেত্রেই অসাধারণ বীর্যবত্তার সঙ্গে সেই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে। আজকের দিনে জনকল্যাণমুখী সরকার ও সার্বিক উন্নয়নের একটি অনুকূল পরিবেশে, উন্নয়নী কর্মযজ্ঞে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশ যে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছুতে পারে সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের ভারত প্রকৃতঅর্থেই এক তরুণ ভারত, জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর বয়সের। তিনি বলেন, এই বিশাল যুব সমাজের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার উপযুক্ত প্রয়োগের ওপরেই ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারত হবে।
রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ, কবি সুব্রামনিয়াম ভারতীর রচিত একটি কবিতার অংশবিশেষ উল্লেখ সহযোগে ৭৩-তম স্বাধীনতা দিবসের পূর্ব সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণ সম্পূর্ণ করেন; যার অর্থঃ-
আমরা ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞান-দুইই অধ্যয়ন করব
আমরা অন্তরীক্ষ ও সমুদ্র-দুইই অনুসন্ধান করব
আমরা চাঁদের রহস্য উদঘাটন করব
আমরা চারপাশের আবর্জনাও পরিষ্কার করব।
এই আদর্শই দেশ গঠনের মহান ব্রতে আমাদের সকলকে উদ্বুদ্ধ করুক। (মূল রচনাঃ- অধ্যাপক শিবাজী সরকার)
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীর জনক যে ভারতে জন্মেছিলেন ও যে ভারত তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল, আজকের ভারতের তা থেকে অনেক পার্থক্য রয়েছে; তা সত্বেও গান্ধীজী আগের তুলনায় কেবল ভারতেই নয়, সমগ্র বিশ্বে অধিক প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেন, দেশের সরকার যখন সমাজের বঞ্চিত অবহেলিত শ্রেণির জন্য কল্যাণমূলক যোজনা রচনা করে; যখন অচিরাচরিত তেজঃশক্তি উৎপাদনে সৌর শক্তিকে কাজে লাগানোর যোজনা রচনা করা হয়, তখন জাতীর জনকের প্রদর্শিত পথই সরকারকে প্রেরণা যোগায়।
রাম নাথ কোবন্দ বলেন, এ বছরেই দেশবাসী শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানক দেবজির ৫৫০ তম আবির্ভাব বার্ষিকী উদযাপন করছে। তিনি বলেন, ভারতের সর্বকালীন মহাপুরুষদের মধ্যে অন্যতম গুরু নানক দেব কেবলমাত্র শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদেরই নয়, ভারত ও সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে বিরাজ করছেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে দেশে কিছুদিন আগে সম্পন্ন সপ্তদশতম সাধারণ নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ৯০ কোটির মত ভোট দাতা বিশ্বের এই বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন, তার জন্য তাঁরা প্রত্যেকেই অশেষ ধন্যবাদের পাত্র।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যে কোনো দেশের সরকারেরই দায়িত্ব হল, জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যে সকল নীতি প্রণেতা ও প্রতিষ্ঠানকেই জনগণের এই আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে সেবার আদর্শ নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সফরের, সমাজের সর্ব স্তরের মানুষের সঙ্গে তাঁর কথা বলার সুযোগ হয়েছে, তাদের সকলেরই একটাই স্বপ্ন, আর তা হল- দেশের সার্বিক উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত, দায়বদ্ধ ও স্বচ্ছ প্রশাসন,যার সুফল উপলব্ধি করা যাবে প্রতিটি মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে।
১৩০ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে দক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বপ্রদানের যে ক্ষমতা সুপ্ত রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে দেশ গঠনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির ওপর রাষ্ট্রপতি জোর দেন। তিনি বলেন, ইতিহাসের দীর্ঘ যাত্রাপথে মাঝে মাঝেই ভারতবাসী চরম বিপদ ও নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, তবে প্রতি ক্ষেত্রেই অসাধারণ বীর্যবত্তার সঙ্গে সেই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে। আজকের দিনে জনকল্যাণমুখী সরকার ও সার্বিক উন্নয়নের একটি অনুকূল পরিবেশে, উন্নয়নী কর্মযজ্ঞে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশ যে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছুতে পারে সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের ভারত প্রকৃতঅর্থেই এক তরুণ ভারত, জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর বয়সের। তিনি বলেন, এই বিশাল যুব সমাজের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার উপযুক্ত প্রয়োগের ওপরেই ভারতের ভবিষ্যৎ নির্ধারত হবে।
রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ, কবি সুব্রামনিয়াম ভারতীর রচিত একটি কবিতার অংশবিশেষ উল্লেখ সহযোগে ৭৩-তম স্বাধীনতা দিবসের পূর্ব সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণ সম্পূর্ণ করেন; যার অর্থঃ-
আমরা ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞান-দুইই অধ্যয়ন করব
আমরা অন্তরীক্ষ ও সমুদ্র-দুইই অনুসন্ধান করব
আমরা চাঁদের রহস্য উদঘাটন করব
আমরা চারপাশের আবর্জনাও পরিষ্কার করব।
এই আদর্শই দেশ গঠনের মহান ব্রতে আমাদের সকলকে উদ্বুদ্ধ করুক। (মূল রচনাঃ- অধ্যাপক শিবাজী সরকার)
Comments
Post a Comment