ভারত ও চীনের মধ্যে ২২তম প্রতিনিধিত্বমূলক আলোচনা
চীনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে সীমান্ত আলোচনার লক্ষ্যে ভারত সফর করলেন। তিনি উপরাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডুর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। কয়েকটি কারণে তাঁর এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গত অক্টোবর মাসে চেন্নাই’এর কাছে মামাল্লমপুরমে আয়োজিত দ্বিতীয় ঘরোয়া শিখর বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের রাষ্ট্রপতির মধ্যে আলোচনায় বলা হয়েছিল যে, সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে উভয় দেশের মধ্যে আরো বেশি করে আস্থাবর্ধক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
শ্রী দোভালও এই ভাবনার পুণরাবৃত্তি করে বলেছেন, উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে নতুন ভাবনা চিন্তা ও কৌশলগত পন্থাপদ্ধতির কথা তুলে ধরেন। বৈঠকের পর চীনের বিদেশমন্ত্রী জানান, উভয় দেশ সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর জন্য ব্যবস্থাপনার নিয়মাবলী নির্ধারণ এবং পারস্পরিক আদান প্রদানের ব্যবস্থা আরো জোরদার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
২২তম সীমান্ত আলোচনা লাদাখ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ঘোষিত হওয়ার পর, দুদেশের মধ্যে প্রথম বৈঠক। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর চীন, লাদাখের বিষয়ে তাদের আপত্তির কথা জানায় এবং রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের পদক্ষেপকে সমর্থন জানায়। ভারত এই অভিযোগ খারিজ করে দেয়।
সীমান্ত বৈঠকের আগেই চীন পুণরায় কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেয়। যদিও রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন তাদের সদস্যদের এ বিষয়ে অবগত করতে সক্ষম না হওয়ার কারণ দেখিয়ে এই বৈঠক স্থগিত রাখে। তবে রাষ্ট্রসংঘে চীনের প্রতিনিধি জানান, রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের রিপোর্ট সম্পূর্ণ হলেই তাঁরা এ বিষয়ে বৈঠক আহ্বানের অবেদন জানাবেন। ভারত বার বার জানিয়েছে, উভয় দেশই তাদের পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়ে সংবেদনশীল হবে এবং পারস্পরিক আস্থা বর্ধনের প্রয়াস নেবে। এর অর্থ হল, জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে ভারতের গৃহীত পদক্ষেপগুলির বিষয়ে আরো বেশী সংবেদনশীল হতে হবে।
চীনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই জানান, সীমান্ত সমস্যার সমাধানে তারা একটি কার্যকরী রূপরেখা তুলে ধরেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সীমান্ত আলোচনায় গৃহীত সদর্থক বিবৃতিগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। তবে এই রূপরেখার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনও জানা যায় নি। যদিও উভয় দেশ এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত রূপরেখার সংক্রান্ত কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে পারে নি, তবে এটা স্পষ্ট যে, উভয় দেশ একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্রে পৌঁছনোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, আগামী বছর উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পুর্তী হতে চলেছে। এই প্রেক্ষিতে এই সীমান্ত আলোচনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই উপলক্ষ্যে, উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। আগামী বছর দুদেশের মধ্যে সম্পর্কের অগ্রগতির ক্ষেত্রে আদান প্রদান এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির উর্ধ্বে উঠে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ভাবনারই প্রতিফলন।
উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে ভারত ও চীনের সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। সীমান্ত আলোচনা একটি সদর্থক ভাবনা এনেছে, যা ভারত ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিশা নির্দেশ করবে।
( মূল রচনাঃ এম এস প্রতিভা )
শ্রী দোভালও এই ভাবনার পুণরাবৃত্তি করে বলেছেন, উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে নতুন ভাবনা চিন্তা ও কৌশলগত পন্থাপদ্ধতির কথা তুলে ধরেন। বৈঠকের পর চীনের বিদেশমন্ত্রী জানান, উভয় দেশ সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর জন্য ব্যবস্থাপনার নিয়মাবলী নির্ধারণ এবং পারস্পরিক আদান প্রদানের ব্যবস্থা আরো জোরদার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
২২তম সীমান্ত আলোচনা লাদাখ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ঘোষিত হওয়ার পর, দুদেশের মধ্যে প্রথম বৈঠক। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর চীন, লাদাখের বিষয়ে তাদের আপত্তির কথা জানায় এবং রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের পদক্ষেপকে সমর্থন জানায়। ভারত এই অভিযোগ খারিজ করে দেয়।
সীমান্ত বৈঠকের আগেই চীন পুণরায় কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেয়। যদিও রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন তাদের সদস্যদের এ বিষয়ে অবগত করতে সক্ষম না হওয়ার কারণ দেখিয়ে এই বৈঠক স্থগিত রাখে। তবে রাষ্ট্রসংঘে চীনের প্রতিনিধি জানান, রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের রিপোর্ট সম্পূর্ণ হলেই তাঁরা এ বিষয়ে বৈঠক আহ্বানের অবেদন জানাবেন। ভারত বার বার জানিয়েছে, উভয় দেশই তাদের পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়ে সংবেদনশীল হবে এবং পারস্পরিক আস্থা বর্ধনের প্রয়াস নেবে। এর অর্থ হল, জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে ভারতের গৃহীত পদক্ষেপগুলির বিষয়ে আরো বেশী সংবেদনশীল হতে হবে।
চীনের বিদেশ মন্ত্রী ওয়াং ই জানান, সীমান্ত সমস্যার সমাধানে তারা একটি কার্যকরী রূপরেখা তুলে ধরেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সীমান্ত আলোচনায় গৃহীত সদর্থক বিবৃতিগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। তবে এই রূপরেখার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনও জানা যায় নি। যদিও উভয় দেশ এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত রূপরেখার সংক্রান্ত কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে পারে নি, তবে এটা স্পষ্ট যে, উভয় দেশ একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্রে পৌঁছনোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, আগামী বছর উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পুর্তী হতে চলেছে। এই প্রেক্ষিতে এই সীমান্ত আলোচনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই উপলক্ষ্যে, উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। আগামী বছর দুদেশের মধ্যে সম্পর্কের অগ্রগতির ক্ষেত্রে আদান প্রদান এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির উর্ধ্বে উঠে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ভাবনারই প্রতিফলন।
উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে ভারত ও চীনের সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। সীমান্ত আলোচনা একটি সদর্থক ভাবনা এনেছে, যা ভারত ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিশা নির্দেশ করবে।
( মূল রচনাঃ এম এস প্রতিভা )
Comments
Post a Comment