জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে ভারতের সর্বাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্ম বার্ষিকীতে অটল ভূজল যোজনা নামে জল ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করে ভারত প্রকৃত অর্থে দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবনে জল সংকট ও জলের সঙ্গে জড়িত নানা সমস্যা মোকাবলার সংকল্প গ্রহণের বার্তা দিয়েছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বর্তমান এন ডি এ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের কার্যকালের প্রথমেই জল শক্তি মন্ত্রক গঠন করেছেন। জন সাধারণের আশা আকাংক্ষা অনুযায়ী দেশের সামনে যে সব সমস্যা রয়েছে, সেগুলির সমাধান ব্যতীত নতুন ভারত গঠনের স্বপ্ন কখনই সাকার করা যেতে পারে না। অটল ভূজল যোজনা রূপায়ণের মাধ্যমে গুজরাত, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়াণা, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটক –এই সাতটি রাজ্যের ৭৮ টি জেলায় ভূগর্ভস্থ জল স্তরের ক্রমশ নিচে নেমে যাওয়া প্রতিরোধ ছাড়াও জল সাশ্রয়ী বিকল্প শস্য চাষের প্রয়োজনিয়তা সম্পর্কে জন সাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
ভারতের কৃষি প্রধানত নির্ভর করে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহারের ওপরেই, এ ছাড়া বিশ্ব উষ্ণায়ন ও অনিয়মিত বর্ষার কারণেও এই জল স্তর ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে। এক সমীক্ষা অনুযায়ী, গত ১০ বছরে ভারতে ভূ গর্ভস্থ জল স্তর ৬১ শতাংশের মত হ্রাস পেয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৫০ থেকে গড়পড়তা বৃষ্টিপাত প্রায় ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর বর্ষার মাস; আর এর পর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাধারণত বৃষ্টি হয় না। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষার এই গতি প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটছে। কখনও অনাবৃষ্টি আবার কখনও অতি বৃষ্টি। এর ফলে কখনও খরা ,আবার কখনও বন্যা। বহু শিল্পোন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম পরিমাণ কার্বন নির্গমণের জন্য দায়ী হলেও ভারতকে বর্ষার এই ধরণের খাম খেয়ালির শিকার হতে হচ্ছে।
আশার কথা, অটল ভূ জল যোজনার আওতায় ক্রমহ্রাসমান ভূ গর্ভস্থ জল স্তরের সমস্যা মোকাবিলায় জল সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষের আচরণগত পরিবর্তন সাধন সহ এই জল স্তরের উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোটি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই অনুযায়ী, এই যোজনার মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে আছে, জল ব্যবহার সমিতি গঠন, ভূ গর্ভস্থ জল স্তরের নিয়মিত নিরীক্ষণ ও এ বিষয়ক পরিসংখ্যানগত তথ্য সরবরাহ, জলের সুচিন্তিত ব্যবহার, গ্রাম পঞ্চায়েত ভিত্তিক জল নিরাপত্তা পরিকল্পনা রচনা ও রূপায়ণ এবং এ সকল ক্ষেত্রেই সাধারন মানুষের যথাসম্ভব অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের সাতটি রাজ্যের ৭৮ টি জেলার প্রায় ৮৩৫০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত অটল ভূ জল যোজনায় লাভবান হবে। এই যোজনায় জল ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে দক্ষতার ভিত্তিতে পঞ্চায়েতগুলিকে পুরস্কৃত করার সংস্থান রাখা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই যোজনাটির সূচনা লগ্নেই উল্লেখ করেছেন। যেমন গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে জল ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে দক্ষতার ভিত্তিতে এই যোজনার আওতায় অর্থ বরাদ করা হবে।
তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে এই যোজনায় কৃষক সমাজকে যথা সম্ভব অধিক মাত্রায় জড়িত করতে হবে; এবং জল সাশ্রয়ী কৃষি পণ্য উৎপাদনের বিষয়ে তাদের ক্রমশ অধিক মাত্রায় সচেতন কোরে তুলতে হবে। এ ছাড়া জলের অপচয় নিয়ন্ত্রণে যুগ প্রাচীন কৃষি প্রণালীতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। তবেই এই যোজনাকে সার্বিক ভাবে সফল করা সম্ভব হবে।
অটল ভূ জল যোজনার সার্থক রূপায়ণের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে আচরণগত পরিবর্তন ঘটিয়ে জল সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও জলের দক্ষ ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হলেই দেশের এই মহান নেতা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রতি যোগ্য শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হবে। ( মূল রচনাঃ- শংকর কুমার )
ভারতের কৃষি প্রধানত নির্ভর করে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহারের ওপরেই, এ ছাড়া বিশ্ব উষ্ণায়ন ও অনিয়মিত বর্ষার কারণেও এই জল স্তর ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে। এক সমীক্ষা অনুযায়ী, গত ১০ বছরে ভারতে ভূ গর্ভস্থ জল স্তর ৬১ শতাংশের মত হ্রাস পেয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৫০ থেকে গড়পড়তা বৃষ্টিপাত প্রায় ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। জুন, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর বর্ষার মাস; আর এর পর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাধারণত বৃষ্টি হয় না। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষার এই গতি প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটছে। কখনও অনাবৃষ্টি আবার কখনও অতি বৃষ্টি। এর ফলে কখনও খরা ,আবার কখনও বন্যা। বহু শিল্পোন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম পরিমাণ কার্বন নির্গমণের জন্য দায়ী হলেও ভারতকে বর্ষার এই ধরণের খাম খেয়ালির শিকার হতে হচ্ছে।
আশার কথা, অটল ভূ জল যোজনার আওতায় ক্রমহ্রাসমান ভূ গর্ভস্থ জল স্তরের সমস্যা মোকাবিলায় জল সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষের আচরণগত পরিবর্তন সাধন সহ এই জল স্তরের উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোটি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই অনুযায়ী, এই যোজনার মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে আছে, জল ব্যবহার সমিতি গঠন, ভূ গর্ভস্থ জল স্তরের নিয়মিত নিরীক্ষণ ও এ বিষয়ক পরিসংখ্যানগত তথ্য সরবরাহ, জলের সুচিন্তিত ব্যবহার, গ্রাম পঞ্চায়েত ভিত্তিক জল নিরাপত্তা পরিকল্পনা রচনা ও রূপায়ণ এবং এ সকল ক্ষেত্রেই সাধারন মানুষের যথাসম্ভব অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা।
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের সাতটি রাজ্যের ৭৮ টি জেলার প্রায় ৮৩৫০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত অটল ভূ জল যোজনায় লাভবান হবে। এই যোজনায় জল ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে দক্ষতার ভিত্তিতে পঞ্চায়েতগুলিকে পুরস্কৃত করার সংস্থান রাখা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই যোজনাটির সূচনা লগ্নেই উল্লেখ করেছেন। যেমন গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে জল ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে দক্ষতার ভিত্তিতে এই যোজনার আওতায় অর্থ বরাদ করা হবে।
তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে এই যোজনায় কৃষক সমাজকে যথা সম্ভব অধিক মাত্রায় জড়িত করতে হবে; এবং জল সাশ্রয়ী কৃষি পণ্য উৎপাদনের বিষয়ে তাদের ক্রমশ অধিক মাত্রায় সচেতন কোরে তুলতে হবে। এ ছাড়া জলের অপচয় নিয়ন্ত্রণে যুগ প্রাচীন কৃষি প্রণালীতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। তবেই এই যোজনাকে সার্বিক ভাবে সফল করা সম্ভব হবে।
অটল ভূ জল যোজনার সার্থক রূপায়ণের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে আচরণগত পরিবর্তন ঘটিয়ে জল সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও জলের দক্ষ ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হলেই দেশের এই মহান নেতা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রতি যোগ্য শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হবে। ( মূল রচনাঃ- শংকর কুমার )
Comments
Post a Comment