অর্থনীতির উন্নতির জন্য বহু-কোটি টাকার কার্পেক্স পরিকাঠামো প্রকল্প শুরু করল ভারত
অর্থনীতির মৌলিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রের উৎপাদনশীল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক অপূর্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার কেন্দ্র, রাজ্য এবং বেসরকারী ক্ষেত্রগুলিকে যুক্ত করে এক বৃহৎ পরিকাঠামো বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমণ ২০২৪-২৫ সাল নাগাদ বিভিন্ন পরিকাঠমো প্রকল্পে ১০২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন। এর ফলে গত ছ’বছরের তুলনায় অর্থনীতি উন্নত হবে। সেই সময় কেন্দ্র ও রাজ্য এক সঙ্গে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ৫১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।
অর্থনীতিতে যখন চাহিদা হ্রাস পায় তখন চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সরকারী বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রয়োজন। অন্য দুটি বিষয় হল সরকারী ব্যয় এবং রপ্তানি। সরকার এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্র সি পি এস ইউ এর কার্পেক্স বা মুলধনী ব্যয়কে রাজ্য বা বেসরকারী ক্ষেত্রগুলি বৃদ্ধি করে এবং তা নির্ভর করে তাদের নিজ নিজ ক্ষমতার ওপর। এই পদ্ধতিতে মন্দা জনিত পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং উন্নয়নের জন্য অধিক বিনিয়োগ সম্ভব হবে। বস্তুতঃ আন্তর্জাতিক অর্থ তহবীলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সরকারী পরিকল্পনা অনুসারে পরিকাঠামো ক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। সম্প্রতি বিমান বন্দর, সড়ক, টেলিযোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বৃহত্তর বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলার প্রয়াস গ্রহণ করেছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে গত স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-২০২৫ সালের মধ্যে ৫ টিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীন অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ১০০ লক্ষ কোটি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। সেই লক্ষ্যে অর্থনীতি বিষয়ক সচিব অতনু চক্রবর্তীর পৌরহিত্যে উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়। তারা জাতীয় পরিকাঠামো পাইপলাইন এন আই পির অংগ হিসেবে ১৮টি রাজ্যে ১০২ লক্ষ টাকার প্রকল্প চিহ্নিত করেছে। এর সঙ্গে খুব শীঘ্রই আরো তিন লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প সংযোজিত হবে। শ্রমতী সীতারমণ বলেন এই প্রকল্পে কোনো রাজ্যকেই বাদ দেওয়া হবে না।
অর্থনৈতিক বিকাশের স্তম্ভ হিসেবে এন আই পির যুক্তি হল উন্নত পরিকাঠামো অর্থনৈতিক কার্যকলাপের গতি বৃদ্ধি করে, সরকারের রাজস্ব কাঠোমোর বিকাশ ঘটায়। এছাড়াও উৎপাদনশীল ক্ষেত্রের প্রতি অধিক ব্যয় সুনিশ্চিত করে। এন আই পির মাধ্যমে অধিক পরিকাঠামো প্রকল্প সৃষ্টি হয়, ব্যবসা বাণিজ্য বিকশিত হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, জীবন যাত্রার মান সহজতর হয় এবং পরিকাঠামোর প্রতি সকলের সমান প্রবেশাধিকার সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি সর্বাত্মক উন্নয়নী কর্মসূচির ফলে অসাম্যের কুপ্রভাব কম করা সম্ভব হয়।
বিস্তারিত বিবরণ থেকে দেখা যায় যে সেচ এবং গ্রামীণ পরিকাঠামো ক্ষেত্রের প্রকল্পের জন্য ৭.৭ লক্ষ কোটি টাকা করে, এবং শিল্প পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ৩.০৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। কৃষি এবং সামাজিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অবশিষ্ট অর্থ ধার্য করা হয়েছে। সড়ক প্রকল্পের জন্য ১৯.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা এবং ১৩.৬৮ লক্ষ কোটি টাকা ধরা হয়েছে রেলওয়ে প্রকল্প খাতে। বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে এক লক্ষ কোটি এবং বিমান বন্দর উন্নয়নের জন্য ১.৪৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। নগর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ১৬.২৯ লক্ষ কোটি এবং টেলিযোগাযোগ, এক্সপ্রেসওয়ে, জাতীয় গ্যাস গ্রিড এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ ক্ষেত্রে ৩.২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এন আই পির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন কর্মী গোষ্ঠীর সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বের সংস্কার, বিবাদ নিস্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করা। শ্রীমতী সীতারমণ মন্তব্য করেন যে একটি উন্নত নিরীক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হবে। (মূল রচনাঃ জি শ্রীনবাসন)
অর্থনীতিতে যখন চাহিদা হ্রাস পায় তখন চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সরকারী বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রয়োজন। অন্য দুটি বিষয় হল সরকারী ব্যয় এবং রপ্তানি। সরকার এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্র সি পি এস ইউ এর কার্পেক্স বা মুলধনী ব্যয়কে রাজ্য বা বেসরকারী ক্ষেত্রগুলি বৃদ্ধি করে এবং তা নির্ভর করে তাদের নিজ নিজ ক্ষমতার ওপর। এই পদ্ধতিতে মন্দা জনিত পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং উন্নয়নের জন্য অধিক বিনিয়োগ সম্ভব হবে। বস্তুতঃ আন্তর্জাতিক অর্থ তহবীলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সরকারী পরিকল্পনা অনুসারে পরিকাঠামো ক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা দূর করার প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। সম্প্রতি বিমান বন্দর, সড়ক, টেলিযোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বৃহত্তর বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলার প্রয়াস গ্রহণ করেছে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে গত স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-২০২৫ সালের মধ্যে ৫ টিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীন অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ১০০ লক্ষ কোটি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। সেই লক্ষ্যে অর্থনীতি বিষয়ক সচিব অতনু চক্রবর্তীর পৌরহিত্যে উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়। তারা জাতীয় পরিকাঠামো পাইপলাইন এন আই পির অংগ হিসেবে ১৮টি রাজ্যে ১০২ লক্ষ টাকার প্রকল্প চিহ্নিত করেছে। এর সঙ্গে খুব শীঘ্রই আরো তিন লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প সংযোজিত হবে। শ্রমতী সীতারমণ বলেন এই প্রকল্পে কোনো রাজ্যকেই বাদ দেওয়া হবে না।
অর্থনৈতিক বিকাশের স্তম্ভ হিসেবে এন আই পির যুক্তি হল উন্নত পরিকাঠামো অর্থনৈতিক কার্যকলাপের গতি বৃদ্ধি করে, সরকারের রাজস্ব কাঠোমোর বিকাশ ঘটায়। এছাড়াও উৎপাদনশীল ক্ষেত্রের প্রতি অধিক ব্যয় সুনিশ্চিত করে। এন আই পির মাধ্যমে অধিক পরিকাঠামো প্রকল্প সৃষ্টি হয়, ব্যবসা বাণিজ্য বিকশিত হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, জীবন যাত্রার মান সহজতর হয় এবং পরিকাঠামোর প্রতি সকলের সমান প্রবেশাধিকার সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি সর্বাত্মক উন্নয়নী কর্মসূচির ফলে অসাম্যের কুপ্রভাব কম করা সম্ভব হয়।
বিস্তারিত বিবরণ থেকে দেখা যায় যে সেচ এবং গ্রামীণ পরিকাঠামো ক্ষেত্রের প্রকল্পের জন্য ৭.৭ লক্ষ কোটি টাকা করে, এবং শিল্প পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে ৩.০৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। কৃষি এবং সামাজিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অবশিষ্ট অর্থ ধার্য করা হয়েছে। সড়ক প্রকল্পের জন্য ১৯.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা এবং ১৩.৬৮ লক্ষ কোটি টাকা ধরা হয়েছে রেলওয়ে প্রকল্প খাতে। বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে এক লক্ষ কোটি এবং বিমান বন্দর উন্নয়নের জন্য ১.৪৩ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। নগর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ১৬.২৯ লক্ষ কোটি এবং টেলিযোগাযোগ, এক্সপ্রেসওয়ে, জাতীয় গ্যাস গ্রিড এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ ক্ষেত্রে ৩.২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
এন আই পির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন কর্মী গোষ্ঠীর সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বের সংস্কার, বিবাদ নিস্পত্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করা। শ্রীমতী সীতারমণ মন্তব্য করেন যে একটি উন্নত নিরীক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হবে। (মূল রচনাঃ জি শ্রীনবাসন)
Comments
Post a Comment