সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে ভারতের মজবুত কৌশলগত সম্পর্ক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে দু'দিনের সফর ছিল কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে স্বাভাবিক অবস্থার জন্য ভারতের কৌশলের একটি অংশ। ভারত-আমিরশাহি সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান উষ্ণতা সামনে উঠে এল আবু ধাবির যুবরাজ তথা কার্যত সেদেশের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার সময়। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি হ’ল ভারতের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার।
ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি প্রযত্নশীল থাকার ক্ষেত্রে ভারতের পক্ষ থেকে আমিরশাহির প্রয়াসের ‘প্রশংসা’ জানানো ছাড়াও, উভয় নেতা পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে, ডক্টর জয়শঙ্কর আমিরশাহির বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিকাঠামো, জ্বালানি, খাদ্য সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা সহ সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন বহুপাক্ষিক বিষয়ে সমন্বয় অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে ডক্টর জয়শঙ্করের এটি প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর। কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে ধীরে ধীরে বৈদেশিক ভ্রমণ বন্ধ করা হয়। সেপ্টেম্বরের প্রথমদিকে সীমিত বিদেশ ভ্রমণ শুরু হওয়ার পরে এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রীর তৃতীয় বিদেশ সফর। আমিরশাহি সফরের আগে তিনি রাশিয়া ও জাপান সফর করেছিলেন ।
লকডাউনের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডক্টর জয়শঙ্কর উভয়ই আমিরশাহি নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন এবং কোভিড সম্পর্কিত ত্রাণকার্যের সমন্বয় করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-ইজ্রায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার কথা ঘোষণার একদিন পর, ১৫ই আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে ডক্টর জয়শঙ্করের আলোচনা হয় ও তাঁকে তিনি এই বিষয়টি অবহিত করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে সেখানে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে অনলাইনে আলাপচারিতাও হয়েছিল। ২০১৪ সাল থেকে এই রুটিন মাফিক বৈঠক হয়ে আসছে। তথাপি এই বৈঠকটি উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থানান্তর সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মন্ত্রক একটি বিষয় তাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারতীয় শ্রমিকদের কাজ আবার শুরু করার বিষয়টি ভারতের উচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়।
১৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘বন্দে ভারত মিশন’ প্রকল্পের আওতায় ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল এবং এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকেই ফিরিয়ে আনা হয়েছিল ৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৯৬ জনকে। বর্তমানে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে তিরিশ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বসবাস এবং কাজ করেন, এবং দেশের বাইরে এখানেই সবথেকে বেশি ভারতীয় রয়েছেন। এই কারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রী কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলায় টিকার প্রশ্নে বেশ কয়েকটি আশাব্যঞ্জক সংবাদের সঙ্গে ভারত উপসাগরীয় অঞ্চলে অভিবাসীদের ধীরে ধীরে আবার সেখানে কাজে ফিরতে দেওয়ার পাশাপাশি কোভিড পরবর্তী এক নতুন সময়ের দিশায় অগ্রসরের প্রস্তুতি সহ প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণের আশ্বাস দেন। অর্থনৈতিক মন্দার ফলে ১০ লক্ষের মত ভারতীয় উপসাগরীয় আরব দেশগুলি থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে এই আরব দেশগুলিতে ৮০ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করত। কোভিড -১৯ ঐ অঞ্চলে নতুন শ্রমিকদের আসা করে দিয়েছে, এবং আমিরশাহি এই শ্রমিকদের ভারত থেকে সেখানে কাজ করার অনুমতি আবার নতুন করে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
এছাড়াও, ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ানো ভারত-আমিরশাহি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করেই চলতে থাকে এবং কোভিড অতিমারির আগে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ছিল ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৫৫৯০ কোটি মার্কিন ডলার। ভারতীয় অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো(এবং সমগ্র বিশ্বেরও) ভারত-আমিরশাহি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের এগিয়ে চলার গতিতে নির্ভর করে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয় ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাসের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে আশা জাগিয়ে তুলেছে। স্বাগত হলেও, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প যে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেছিলেন সেটি যদি আবার বহাল করা হয় সেক্ষেত্রে আরব আমিরশাহি ও তার নিকটতম মিত্র দেশ সৌদি আরবের জন্য বহু সুরক্ষা সংক্রান্ত জটীলতা সৃষ্টি করবে।
এছাড়াও, ইয়েমেনে কিছুটা অসফল সামরিক অভিযানের কারণে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমেরিকার কাছ থেকে ৫০টি-এফ-৩৫ সমস্ত আবহাওয়ায় কার্যক্ষম যুদ্ধ বিমান চাইছে। প্রায় ১০০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের চুক্তিটি রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পরাজয়ের কয়েকদিন পরেই মার্কিন বিদেশ দফতরের অনুমোদন পায় এবং এক্ষেত্রে ইজ্রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া আংশিকভাবে জড়িত। সর্বোপরি, আমিরশাহি-ইজ্রায়েলের সম্পর্কের উন্নয়ন ভারতকে উভয় দেশের সঙ্গেই নিবিড় প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ এনে দিয়েছে।
নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রধান স্থান হিসাবে উঠে এসেছে। ডক্টর জয়শঙ্করের এই সফরটি ভারতের উপসাগরীয় নীতিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কৌশলগত গুরুত্ব এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাইডেন প্রশাসন ওয়াশিংটনে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নীতিগত বিষয়গুলি সমন্বয় করার এক প্রয়াস।
[মূল রচনা- অধ্যাপক পি আর কুমারাস্বামী]
ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি প্রযত্নশীল থাকার ক্ষেত্রে ভারতের পক্ষ থেকে আমিরশাহির প্রয়াসের ‘প্রশংসা’ জানানো ছাড়াও, উভয় নেতা পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে, ডক্টর জয়শঙ্কর আমিরশাহির বিদেশ মন্ত্রীর সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিকাঠামো, জ্বালানি, খাদ্য সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা সহ সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন বহুপাক্ষিক বিষয়ে সমন্বয় অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে ডক্টর জয়শঙ্করের এটি প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর। কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে ধীরে ধীরে বৈদেশিক ভ্রমণ বন্ধ করা হয়। সেপ্টেম্বরের প্রথমদিকে সীমিত বিদেশ ভ্রমণ শুরু হওয়ার পরে এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রীর তৃতীয় বিদেশ সফর। আমিরশাহি সফরের আগে তিনি রাশিয়া ও জাপান সফর করেছিলেন ।
লকডাউনের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডক্টর জয়শঙ্কর উভয়ই আমিরশাহি নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেন এবং কোভিড সম্পর্কিত ত্রাণকার্যের সমন্বয় করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-ইজ্রায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার কথা ঘোষণার একদিন পর, ১৫ই আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সঙ্গে ডক্টর জয়শঙ্করের আলোচনা হয় ও তাঁকে তিনি এই বিষয়টি অবহিত করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে সেখানে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে অনলাইনে আলাপচারিতাও হয়েছিল। ২০১৪ সাল থেকে এই রুটিন মাফিক বৈঠক হয়ে আসছে। তথাপি এই বৈঠকটি উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থানান্তর সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মন্ত্রক একটি বিষয় তাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারতীয় শ্রমিকদের কাজ আবার শুরু করার বিষয়টি ভারতের উচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়।
১৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ‘বন্দে ভারত মিশন’ প্রকল্পের আওতায় ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল এবং এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকেই ফিরিয়ে আনা হয়েছিল ৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৯৬ জনকে। বর্তমানে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে তিরিশ লক্ষেরও বেশি ভারতীয় বসবাস এবং কাজ করেন, এবং দেশের বাইরে এখানেই সবথেকে বেশি ভারতীয় রয়েছেন। এই কারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রী কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলায় টিকার প্রশ্নে বেশ কয়েকটি আশাব্যঞ্জক সংবাদের সঙ্গে ভারত উপসাগরীয় অঞ্চলে অভিবাসীদের ধীরে ধীরে আবার সেখানে কাজে ফিরতে দেওয়ার পাশাপাশি কোভিড পরবর্তী এক নতুন সময়ের দিশায় অগ্রসরের প্রস্তুতি সহ প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণের আশ্বাস দেন। অর্থনৈতিক মন্দার ফলে ১০ লক্ষের মত ভারতীয় উপসাগরীয় আরব দেশগুলি থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে এই আরব দেশগুলিতে ৮০ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করত। কোভিড -১৯ ঐ অঞ্চলে নতুন শ্রমিকদের আসা করে দিয়েছে, এবং আমিরশাহি এই শ্রমিকদের ভারত থেকে সেখানে কাজ করার অনুমতি আবার নতুন করে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
এছাড়াও, ভারতের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ানো ভারত-আমিরশাহি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করেই চলতে থাকে এবং কোভিড অতিমারির আগে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ছিল ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৫৫৯০ কোটি মার্কিন ডলার। ভারতীয় অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো(এবং সমগ্র বিশ্বেরও) ভারত-আমিরশাহি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের এগিয়ে চলার গতিতে নির্ভর করে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয় ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাসের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে আশা জাগিয়ে তুলেছে। স্বাগত হলেও, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প যে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল করেছিলেন সেটি যদি আবার বহাল করা হয় সেক্ষেত্রে আরব আমিরশাহি ও তার নিকটতম মিত্র দেশ সৌদি আরবের জন্য বহু সুরক্ষা সংক্রান্ত জটীলতা সৃষ্টি করবে।
এছাড়াও, ইয়েমেনে কিছুটা অসফল সামরিক অভিযানের কারণে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমেরিকার কাছ থেকে ৫০টি-এফ-৩৫ সমস্ত আবহাওয়ায় কার্যক্ষম যুদ্ধ বিমান চাইছে। প্রায় ১০০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের চুক্তিটি রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের পরাজয়ের কয়েকদিন পরেই মার্কিন বিদেশ দফতরের অনুমোদন পায় এবং এক্ষেত্রে ইজ্রায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া আংশিকভাবে জড়িত। সর্বোপরি, আমিরশাহি-ইজ্রায়েলের সম্পর্কের উন্নয়ন ভারতকে উভয় দেশের সঙ্গেই নিবিড় প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ এনে দিয়েছে।
নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রধান স্থান হিসাবে উঠে এসেছে। ডক্টর জয়শঙ্করের এই সফরটি ভারতের উপসাগরীয় নীতিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কৌশলগত গুরুত্ব এবং ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাইডেন প্রশাসন ওয়াশিংটনে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নীতিগত বিষয়গুলি সমন্বয় করার এক প্রয়াস।
[মূল রচনা- অধ্যাপক পি আর কুমারাস্বামী]
Comments
Post a Comment